★ পশ্চিমবঙ্গ ও সারা ভারতের মোটর যান তথ্য সেবা
গাড়ির আরসি বিবরণ, ট্রাফিক ই-চালান
এবং ফাস্ট্যাগ ব্যালেন্স এক নিমেষে।
পশ্চিমবঙ্গ ও জাতীয় পরিবাহন সার্ভারের মাধ্যমে যেকোনো কার, বাইক বা বাণিজ্যিক যানের মালিকানা বিবরণ, বকেয়া ট্রাফিক জরিমানা এবং ফাস্ট্যাগ স্থিতি সহজেই যাচাই করুন।
অনলাইন মোটর যান পরিষেবা
গাড়ির মালিক ও চালকদের জন্য অপরিহার্য সুবিধাসমূহ
সরকারি অফিসে লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা এড়িয়ে সরাসরি অফিসিয়াল ডাটাবেস থেকে নথিপত্র যাচাই করুন।
গাড়ির আরসি বিবরণ
মালিকের নাম (সুরক্ষিত রূপ), প্রস্তুতকারক, মডেল, রেজিস্ট্রেশন করা আরটিও, ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বর এবং রেজিস্ট্রেশনের আসল তারিখ।
বকেয়া ট্রাফিক ই-চালান
কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের ইস্যু করা পেন্ডিং চালান, লঙ্ঘনের কারণ, স্থান, তারিখ এবং জরিমানা পরিশোধের সরাসরি লিঙ্ক।
ফাস্ট্যাগ ব্যালেন্স ও ব্যাংক
গাড়ির সাথে যুক্ত ফাস্ট্যাগ আইডি, ইস্যুকারী ব্যাংক (SBI, HDFC, ICICI, Airtel, Paytm) এবং ট্যাগ অ্যাক্টিভেশন স্ট্যাটাস যাচাই।
পশ্চিমবঙ্গ আরটিও কোড গাইড
কলকাতা WB-01 থেকে শুরু করে শিলিগুড়ি, আসানসোল, দুর্গাপুর সহ পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত ৯৬+ আঞ্চলিক পরিবহন কার্যালয়ের সম্পূর্ণ তালিকা।
পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত জেলার আরটিও তালিকা
পশ্চিমবঙ্গ আরটিও কোড ডিরেক্টরি (WB-01 থেকে WB-96)
গাড়ির নম্বর প্লেটের কোড দেখে জেলা বা পরিবহন অফিস জানতে নিচের সার্চ বক্সটি ব্যবহার করুন।
সহজ ৩টি ধাপ
কয়েক সেকেন্ডে কীভাবে তথ্য দেখবেন?
কোনো জটিল লগইন বা ওটিপি ছাড়া অতি সহজে আপনার গাড়ির যাবতীয় তথ্য যাচাই করার পদ্ধতি।
প্রয়োজনীয় সেবাটি বেছে নিন
আরসি বিবরণ, বকেয়া ট্রাফিক ই-চালান, ইন্স্যুরেন্সের মেয়াদ বা ফাস্ট্যাগ ব্যালেন্স থেকে আপনার কাঙ্ক্ষিত অপশনটি নির্বাচন করুন।
গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখুন
আপনার গাড়ির নাম্বার প্লেটে উল্লিখিত নম্বরটি (যেমন: WB02AB1234) কোনো স্থান বা হাইফেন ছাড়া সঠিকভাবে টাইপ করুন।
সম্পূর্ণ বিবরণ যাচাই করুন
অফিসিয়াল সেন্ট্রাল পরিবাহন সার্ভার থেকে যাচাইকৃত বিস্তারিত রিপোর্ট সাথে সাথেই আপনার স্ক্রিনে ভেসে উঠবে।
আইনি মোটর যান নথিপত্র
পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি গাড়ির ক্ষেত্রে জরুরি আইনি সার্টিফিকেট
রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (RC) ও ১৫ বছরের নিয়ম
ব্যক্তিগত প্রাইভেট গাড়ির আরসি নিবন্ধনের তারিখ থেকে ১৫ বছরের জন্য বৈধ থাকে। ১৫ বছর অতিক্রান্ত হলে পুনরায় ফিটনেস পরীক্ষা করিয়ে আরসি রিনিউয়াল (Renewal of Registration) করা বাধ্যতামূলক।
মোটর ভেহিকেল ইন্স্যুরেন্স (Third-Party Insurance)
মোটর যান আইন ১৯৮৮-এর ধারা ১৪৬ অনুযায়ী, যেকোনো পাবলিক রাস্তায় চলাচলের জন্য থার্ড-পার্টি বীমা বাধ্যতামূলক। বীমা ব্যতীত গাড়ি চালালে প্রথমবার ₹২,০০০ এবং দ্বিতীয়বার ₹৪,০০০ পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
পলিউশন আন্ডার কন্ট্রোল সার্টিফিকেট (PUC)
BS-IV ও BS-VI প্রযুক্তির যানবাহনের ক্ষেত্রে দূষণ নিয়ন্ত্রণ শংসাপত্র ১ বছরের জন্য বৈধ থাকে। মেয়াদোত্তীর্ণ পিইউসি নিয়ে গাড়ি চালালে ধারা ১৯০(২) অনুযায়ী ₹১০,০০০ পর্যন্ত মোটা অঙ্কের জরিমানা হতে পারে।
ফাস্ট্যাগ (FASTag) ও টোল প্লাজা নিয়মাবলী
জাতীয় ও রাজ্য মহাসড়কের টোল প্লাজায় ফাস্ট্যাগ থাকা বাধ্যতামূলক। পর্যাপ্ত ব্যালেন্স না থাকা অবস্থায় টোল লেনে প্রবেশ করলে দ্বিগুণ টোল ট্যাক্স পরিশোধ করতে হতে পারে।
সাধারণ প্রশ্নাবলী
গাড়ির নথিপত্র সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর
পশ্চিমবঙ্গে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, ট্রাফিক ই-চালান এবং ফাস্ট্যাগ সংক্রান্ত যাবতীয় সাধারণ প্রশ্নের উত্তর জেনে নিন।
সাহায্য প্রয়োজন? যোগাযোগ করুনগাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর (Vehicle Plate Number) দিয়ে কী কী তথ্য জানা যায়?
আপনার গাড়ির নম্বর (যেমন: WB02AB1234) লিখে সার্চ করলে রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (RC) স্থিতি, মালিকের নাম (সুরক্ষা ও গোপনীয়তার স্বার্থে আংশিক আবৃত), রেজিস্ট্রেশন করা আরটিও (RTO) অফিস, গাড়ির প্রস্তুতকারক ও মডেল, জ্বালানির ধরন (পেট্রোল, ডিজেল, সিএনজি, ইলেকট্রিক), গাড়ির বর্তমান বয়স, মোটর বীমা (Insurance) এবং পলিউশন সার্টিফিকেটের (PUC) বৈধতার মেয়াদ নির্ভুলভাবে জানা যায়।
পশ্চিমবঙ্গে বকেয়া ট্রাফিক ই-চালান (Traffic e-Challan) কীভাবে চেক এবং পরিশোধ করবেন?
আমাদের ই-চালান সার্চ বক্সে গাড়ির নম্বর লিখলে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের মাধ্যমে জারি করা সমস্ত বকেয়া ও পরিশোধিত চালানের তালিকা দেখতে পাবেন। চালানের তারিখ, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের স্থান ও কারণ এবং জরিমানার অঙ্ক স্পষ্টভাবে প্রদর্শিত হয়। এরপর সরকারি পরিবাহন বা গ্রিপস (GRIPS) পোর্টালে সরাসরি অনলাইন পেমেন্ট সম্পন্ন করা যায়।
গাড়ির ফাস্ট্যাগ (FASTag) ব্যালেন্স ও ইস্যুকারী ব্যাংক কীভাবে জানবেন?
ফাস্ট্যাগ ট্যাবে গাড়ির নম্বর প্রদান করলে সেই গাড়ির সাথে সংযুক্ত ফাস্ট্যাগ আইডি (Tag ID), কোন ব্যাংক থেকে ট্যাগটি ইস্যু করা হয়েছে (যেমন: SBI, ICICI, HDFC, Axis, Airtel Payments Bank, Paytm) এবং ট্যাগটি বর্তমানে সক্রিয় (Active) নাকি লো-ব্যালেন্স বা ব্ল্যাকলিস্টেড রয়েছে তা মুহূর্তেই যাচাই করতে পারবেন।
পুরনো বা সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি/বাইক কেনার সময় কোন নথিপত্র পরীক্ষা করা আবশ্যক?
ব্যবহৃত গাড়ি কেনার আগে নিশ্চিত করুন: ১. আরসি স্মার্টকার্ডের বিবরণ আসল মালিকের সাথে মিলছে কিনা, ২. ব্যাংক ঋণের হাইপোথেকেশন (Hypothecation / HP) সম্পূর্ণ শোধ করে এনওসি (NOC) নেওয়া হয়েছে কিনা, ৩. কলকাতা বা জেলা ট্রাফিক পুলিশের কোনো বকেয়া ই-চালান বা আদালত মামলা নেই তো, এবং ৪. গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেট (FC) ও বীমার মেয়াদ বর্তমান আছে কিনা।
পশ্চিমবঙ্গের আরটিও (RTO) কোডগুলি কীভাবে বিন্যস্ত (WB-01 থেকে WB-96)?
পশ্চিমবঙ্গে মোটর যান রেজিস্ট্রেশনের জন্য 'WB' কোডের পর নির্দিষ্ট জেলা বা সাব-ডিভিশন সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। যেমন কলকাতার ক্ষেত্রে WB-01 থেকে WB-10 (বেলতলা ও কসবা), হাওড়ার জন্য WB-12, ব্যারাকপুরের জন্য WB-24, বারাসাত WB-26, দুর্গাপুরের জন্য WB-40, আসানসোল WB-46 এবং শিলিগুড়ির জন্য WB-74 প্রযোজ্য। সম্পূর্ণ তালিকা আমাদের আরটিও এক্সপ্লোরারে দেখে নিন।
মোটর বীমা (Insurance) বা পিইউসি (PUC) সার্টিফিকেট না থাকলে কী শাস্তি হতে পারে?
মোটর ভেহিকেলস অ্যাক্ট ১৯৮৮ (সংশোধিত ২০১৯) অনুযায়ী, বৈধ থার্ড-পার্টি বীমা ছাড়া গাড়ি চালালে প্রথমবার ₹২,০০০ এবং পরবর্তীতে ₹৪,০০০ পর্যন্ত জরিমানা বা ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। মেয়াদোত্তীর্ণ পলিউশন সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে ধারা ১৯০(২) অনুযায়ী ₹১০,০০০ পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
নতুন কেনা বা ট্রান্সফার করা গাড়ির বিবরণ পোর্টালে না দেখালে কী করবেন?
শো-রুম থেকে নতুন রেজিস্ট্রেশন হওয়া গাড়ি কিংবা আন্তঃরাজ্য (Inter-state) ট্রান্সফারকৃত গাড়ির ডাটা সেন্ট্রাল পরিবাহন সার্ভারে সিঙ্ক হতে ২ থেকে ৫ কার্যদিবস সময় লাগতে পারে। কোনো অসঙ্গতি থাকলে স্থানীয় আরটিও অফিস বা পরিবাহন সেবা হেল্পডেস্কে যোগাযোগ করা উচিত।
আপনার গাড়ির স্থিতি এখনই পরীক্ষা করুন
কোনো ঝামেলা ছাড়াই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সম্পূর্ণ বিবরণ জেনে নিন।
পশ্চিমবঙ্গ মোটর যান তথ্য পোর্টাল
গাড়ির আরসি বিবরণ
মূল সেবাসমূহ
জরুরি যাচাইকরণ
পশ্চিমবঙ্গ আরটিও তালিকা (WB-01 থেকে WB-96)
যাত্রার আগে প্রয়োজনীয় তল্লাশি
জরুরি প্রশ্নোত্তর
গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর (Vehicle Plate Number) দিয়ে কী কী তথ্য জানা যায়?
আপনার গাড়ির নম্বর (যেমন: WB02AB1234) লিখে সার্চ করলে রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (RC) স্থিতি, মালিকের নাম (সুরক্ষা ও গোপনীয়তার স্বার্থে আংশিক আবৃত), রেজিস্ট্রেশন করা আরটিও (RTO) অফিস, গাড়ির প্রস্তুতকারক ও মডেল, জ্বালানির ধরন (পেট্রোল, ডিজেল, সিএনজি, ইলেকট্রিক), গাড়ির বর্তমান বয়স, মোটর বীমা (Insurance) এবং পলিউশন সার্টিফিকেটের (PUC) বৈধতার মেয়াদ নির্ভুলভাবে জানা যায়।
পশ্চিমবঙ্গে বকেয়া ট্রাফিক ই-চালান (Traffic e-Challan) কীভাবে চেক এবং পরিশোধ করবেন?
আমাদের ই-চালান সার্চ বক্সে গাড়ির নম্বর লিখলে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের মাধ্যমে জারি করা সমস্ত বকেয়া ও পরিশোধিত চালানের তালিকা দেখতে পাবেন। চালানের তারিখ, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের স্থান ও কারণ এবং জরিমানার অঙ্ক স্পষ্টভাবে প্রদর্শিত হয়। এরপর সরকারি পরিবাহন বা গ্রিপস (GRIPS) পোর্টালে সরাসরি অনলাইন পেমেন্ট সম্পন্ন করা যায়।
গাড়ির ফাস্ট্যাগ (FASTag) ব্যালেন্স ও ইস্যুকারী ব্যাংক কীভাবে জানবেন?
ফাস্ট্যাগ ট্যাবে গাড়ির নম্বর প্রদান করলে সেই গাড়ির সাথে সংযুক্ত ফাস্ট্যাগ আইডি (Tag ID), কোন ব্যাংক থেকে ট্যাগটি ইস্যু করা হয়েছে (যেমন: SBI, ICICI, HDFC, Axis, Airtel Payments Bank, Paytm) এবং ট্যাগটি বর্তমানে সক্রিয় (Active) নাকি লো-ব্যালেন্স বা ব্ল্যাকলিস্টেড রয়েছে তা মুহূর্তেই যাচাই করতে পারবেন।
পুরনো বা সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি/বাইক কেনার সময় কোন নথিপত্র পরীক্ষা করা আবশ্যক?
ব্যবহৃত গাড়ি কেনার আগে নিশ্চিত করুন: ১. আরসি স্মার্টকার্ডের বিবরণ আসল মালিকের সাথে মিলছে কিনা, ২. ব্যাংক ঋণের হাইপোথেকেশন (Hypothecation / HP) সম্পূর্ণ শোধ করে এনওসি (NOC) নেওয়া হয়েছে কিনা, ৩. কলকাতা বা জেলা ট্রাফিক পুলিশের কোনো বকেয়া ই-চালান বা আদালত মামলা নেই তো, এবং ৪. গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেট (FC) ও বীমার মেয়াদ বর্তমান আছে কিনা।
পশ্চিমবঙ্গের আরটিও (RTO) কোডগুলি কীভাবে বিন্যস্ত (WB-01 থেকে WB-96)?
পশ্চিমবঙ্গে মোটর যান রেজিস্ট্রেশনের জন্য 'WB' কোডের পর নির্দিষ্ট জেলা বা সাব-ডিভিশন সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। যেমন কলকাতার ক্ষেত্রে WB-01 থেকে WB-10 (বেলতলা ও কসবা), হাওড়ার জন্য WB-12, ব্যারাকপুরের জন্য WB-24, বারাসাত WB-26, দুর্গাপুরের জন্য WB-40, আসানসোল WB-46 এবং শিলিগুড়ির জন্য WB-74 প্রযোজ্য। সম্পূর্ণ তালিকা আমাদের আরটিও এক্সপ্লোরারে দেখে নিন।
মোটর বীমা (Insurance) বা পিইউসি (PUC) সার্টিফিকেট না থাকলে কী শাস্তি হতে পারে?
মোটর ভেহিকেলস অ্যাক্ট ১৯৮৮ (সংশোধিত ২০১৯) অনুযায়ী, বৈধ থার্ড-পার্টি বীমা ছাড়া গাড়ি চালালে প্রথমবার ₹২,০০০ এবং পরবর্তীতে ₹৪,০০০ পর্যন্ত জরিমানা বা ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। মেয়াদোত্তীর্ণ পলিউশন সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে ধারা ১৯০(২) অনুযায়ী ₹১০,০০০ পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
নতুন কেনা বা ট্রান্সফার করা গাড়ির বিবরণ পোর্টালে না দেখালে কী করবেন?
শো-রুম থেকে নতুন রেজিস্ট্রেশন হওয়া গাড়ি কিংবা আন্তঃরাজ্য (Inter-state) ট্রান্সফারকৃত গাড়ির ডাটা সেন্ট্রাল পরিবাহন সার্ভারে সিঙ্ক হতে ২ থেকে ৫ কার্যদিবস সময় লাগতে পারে। কোনো অসঙ্গতি থাকলে স্থানীয় আরটিও অফিস বা পরিবাহন সেবা হেল্পডেস্কে যোগাযোগ করা উচিত।